বিশেষ প্রতিবেদন
দেশেই ক্যানসারের ওষুধ উদ্ভাবন!
আরিফ সাওন
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৫:৪৫
💊 আবু সালেহর উদ্ভাবিত নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি ‘ইবিথেরাপি’ গ্রহণের পর ইতোমধ্যে বহু ক্যানসার রোগী আশার আলো দেখেছেন। তেমনই একজন সুবর্ণা আক্তার (৪৪) — রাজধানীর কদমতলীর মেরাজনগর এলাকার এক গৃহিণী, দুই সন্তানের মা 👩👧👦।
🏠 একসময় স্বামী-সন্তান নিয়ে স্বাভাবিক জীবন কাটালেও ২০২২ সালে হঠাৎ করেই তার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ ক্যানসার। চিকিৎসার জন্য তিনি মহাখালীর ক্যানসার হাসপাতালে কেমোথেরাপি শুরু করেন, কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও শারীরিক কষ্টে চারটি সেশনের পরই তা বন্ধ করতে বাধ্য হন। পরবর্তী সময়ে অপারেশন, ভারতীয় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, এমনকি ৩০টি রেডিওথেরাপিও নেন—কিন্তু কোনো ফল মেলেনি।
📉 ক্যানসার ধীরে ধীরে বুকে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে, ব্যথায় নিঃশ্বাস নেওয়াও কষ্টকর হয়ে ওঠে। পরিবারের লোকজন পর্যন্ত চিনতে পারছিল না তাকে।
এই অবস্থায় সুবর্ণা জানতে পারেন আবু সালেহর উদ্ভাবিত ইবিথেরাপি সম্পর্কে 🌿। বাবা মারা যাওয়ার কিছুদিন পর, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তিনি এই চিকিৎসা শুরু করেন।
🩺 সুবর্ণা বলেন, “প্রথমে ভেবেছিলাম ইবিথেরাপি হয়তো কারেন্টে শক দেয় এমন কিছু! কিন্তু ট্রিটমেন্ট শুরু করার এক সপ্তাহের মধ্যেই ব্যথা কমতে শুরু করে, আর দুই সপ্তাহ পর নিজেকে অনেক হালকা মনে হয়। এত ভালো লাগা আমি ক্যানসারের চিকিৎসায় আগে কখনো পাইনি।”
তিনি প্রতিদিন সকাল ও রাতে নির্দিষ্ট ট্যাবলেট ও তরল ওষুধ গ্রহণ করেন, পাশাপাশি ইনজেকশনও নিতে হয় সপ্তাহে একবার করে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে 🙏।
💬 “লোকজন এখন বলছে, আমার চেহারা ও শরীর দুটোই অনেকটা বদলে গেছে,” হাসতে হাসতে বললেন সুবর্ণা, “সবই আল্লাহর রহমত। আমি এখন অনেক ভালো আছি।”
🔬 গবেষক আবু সালেহ জানান, তার উদ্ভাবিত ইবিথেরাপি ক্যানসারের কোষ ধ্বংস করে দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা পুনর্গঠনে সহায়তা করে। এটি সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও নিরাপদ বলে দাবি করেন তিনি।
🌟 তার তথ্য অনুযায়ী, ইবিথেরাপিতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বয়স ও স্তরের ৩০ জনেরও বেশি রোগী সুস্থ হয়েছেন—যাদের মধ্যে ব্রেস্ট, লিভার, ফুসফুস, কোলনসহ নানা ধরনের ক্যানসার আক্রান্ত ব্যক্তি রয়েছেন।
সিফাত/
"খবরের কাগজ" প্রত্রিকাটির সংগ্রহীত পোস্ট লিংক এখানে পাবেন __ Click here

Comments
Post a Comment