Skip to main content

ইবিথেরাপি একটি নিউট্রাসিউটিক্যালস ওষুধ

 

✊ আসুন, আমরা ক্যান্সারকে না বলি।
ইবিথেরাপি গ্রহণ করি – ক্যান্সার মুক্ত দেশ গড়ি!

📞 বিস্তারিত জানতে বা ফ্রি কনসালটেশনের জন্য ইনবক্স করুন কিংবা কল করুন এই নাম্বার

📞 01973-937727


❓ ইবিথেরাপি কী ও কতদিনে ফল দেখা যায়? মাত্র ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই ইবিথেরাপি গ্রহণে শরীরে ক্যান্সার হ্রাসের লক্ষণীয় উন্নতি দেখা যায় - যা রোগী ও তার প্রিয়জনেরা সহজেই বুঝতে পারে। 

💊🌿💚


🔬 ইবিথেরাপি যেভাবে কাজ করে: মুখে খাওয়ার ওষুধ পাকস্থলী পেরিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শোষিত হয় ➡️ তারপর পোর্টাল শিরা দিয়ে লিভারে প্রবেশ করে।  


লিভার সক্রিয় উপাদানগুলোকে রক্তে সঞ্চালন করে 🩸 এবং তা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে - প্রতিটি কোষে পৌঁছে রোগ প্রতিরোধে যুদ্ধ করে ⚔️🧬।


🔥 ইবিথেরাপি - যেখানে ৭ দিনেই শুরু হয় বদলে যাওয়ার গল্প! 💡 সচেতন হোন, বিজ্ঞানকে বেছে নিন। বাঁচার নতুন আশা দিন, শিখুন এবং অন্যদের জানাতে সাহায্য করুন এই বিষয়ে। আসুন সবাই মিলে বাচতে শিখি নতুন আলোর পথ ধরে। 


🌿 ইবিথেরাপি – ক্যান্সার চিকিৎসায় যুগান্তকারী জৈব উদ্ভাবন!


মাত্র ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই একজন ক্যান্সার রোগীর দেহে লক্ষণীয় উন্নতি—এটি শুধুই সম্ভাবনা নয়, ইবিথেরাপির বাস্তবতা। রোগী এবং তার প্রিয়জনেরা নিজের চোখে বুঝতে পারেন, ক্যান্সার ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে।


ইবিথেরাপি কাজ করে মানবদেহের DNA, RNA, কোষ (Cell), ও নিউক্লিয়াসের গভীর পর্যায়ের অসামঞ্জস্যতা দূর করে। এটি কোষচক্রকে পুনরায় সচল করে তোলে এবং শরীরের:


✅ ক্যান্সারাস কোষ  

✅ নন-ক্যান্সারাস লিম্ফনোড  

✅ ফাইব্রয়েড  

✅ টিউমার  

✅ নডিউল


সহ যাবতীয় কোষ-ঘটিত জটিল রোগ ৩ মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ ও নিরাময় করতে সহায়তা করে।


🧪 ইবিথেরাপি কীভাবে তৈরি হয়? এটি জৈব রাসায়নিক নির্যাস থেকে উদ্ভাবিত একটি    এলোপ্যাথিক নিউট্রাসিউটিক্যালস ওষুধ। শতভাগ নিরাপদ, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন এবং প্রাকৃতিকভাবে দেহের সাথে মানিয়ে যায়।


💰 চিকিৎসা ব্যয়? ইবিথেরাপি চিকিৎসা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতির জন্য একেবারেই সহনীয় ও সাশ্রয়ী।


🧬 বিজ্ঞানের বিস্ময়—বাংলাদেশের গর্ব

ইবিথেরাপি এখন শুধু চিকিৎসা নয়, এটি আশার নতুন নাম। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এটি হতে পারে আপনার ও আপনার প্রিয়জনের সবচেয়ে বড় আশ্রয়।


💊 ইবিথেরাপি (Ebitherapy)

একটি আধুনিক Nutraceuticals (নিউট্রাসিউটিক্যালস) ওষুধ, যা ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।



🔬 নিউট্রাসিউটিক্যালস কী?

নিউট্রাসিউটিক্যালস হলো এমন একধরনের ওষুধ যা
👉 প্রাকৃতিক খাদ্য বা ভেষজ উপাদান থেকে
👉 বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে রোগ নিরাময়ে সহায়ক কেমিক্যাল নিষ্কাশন করে তৈরি করা হয়।



➡️ সংক্ষেপে বললে:
“খাদ্য থেকেই ওষুধ” — এটাই নিউট্রাসিউটিক্যালসের মূল ধারণা। 🌿


⚠️ নিউট্রাসিউটিক্যালসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

✅ নির্দেশিত মাত্রায় গ্রহণে কোনো গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।

😌 কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সামান্য ও সাময়িক সমস্যা দেখা দিতে পারে, 

যেমন:পেট ফাঁপা, গ্যাস হওয়া, খাবারে অনীহা

⏱️ এসব উপসর্গ সাধারণত ৩–৪ দিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যায়।
➡️ দীর্ঘমেয়াদে কোনো ক্ষতি করে না।


🎯 ইবিথেরাপি কোন কোন ক্যান্সারে কার্যকর?

✅ প্রায় সব ধরনের ক্যান্সারেই কার্যকর, তবে নিচের ক্যান্সারগুলোতে কার্যকর নয়:
 

❌ হাড়ের ক্যান্সার (Bone Cancer)
 

❌ মস্তিষ্কের ক্যান্সার (Brain Cancer)
 

❌ সারকোমা গ্রুপের ক্যান্সার


💥 ইবিথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

✅ নির্ধারিত মাত্রায় গ্রহণে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।


🌈 ইবিথেরাপির সুবিধা

💚 শরীরের জন্য অতি সহনীয় ও নিরাপদ
💪 ৭২ ঘণ্টা পর থেকেই রোগী আরাম, স্বস্তি ও ভালো লাগা অনুভব করেন
 

👨‍👩‍👧‍👦 ৭–১৪ দিনের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নতি লক্ষ্য করা যায়
 

📈 গড়ে প্রতি ১০০ জন রোগীর মধ্যে ৭০ জন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন
 

🔪 ৬৫% রোগীর অপারেশন প্রয়োজন হয় না



📋 ইবিথেরাপি গ্রহণের নিয়ম (Protocol)

🚫 চিকিৎসা চলাকালে নিম্নলিখিত খাবার পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে:
গুড়, চিনি, মিসরি, মধু, খেজুর, কিসমিস, আখের রস, খেজুরের রস, তালের রস, চর্বিযুক্ত মাংস ও এসব দিয়ে তৈরি খাবার।



💊 ডোজ:

প্রাপ্তবয়স্ক: 300mg × 2 ট্যাবলেট / প্রতিদিন

শিশু (৪–১২ বছর): 300mg × 1 ট্যাবলেট / প্রতিদিন

🏠 রোগী নিজ বাড়িতেই চিকিৎসা নিতে পারেন।


🧪 পরীক্ষা (Diagnosis):

প্রথম টেস্ট: থেরাপি শুরু থেকে ৩০ দিনের মধ্যে

দ্বিতীয় টেস্ট: পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে

তৃতীয় ও চূড়ান্ত টেস্ট (PET CT Scan): 


দ্বিতীয় রিপোর্টে ৮০% টিউমার হ্রাস প্রমাণিত হলে, ১৫ দিনের মধ্যে


⏳ চিকিৎসার সময়কাল ও খরচ

🌀 ১ সাইকেল = ১৫ দিন
 

💊 সম্পূর্ণ সুস্থ হতে সাধারণত ৪–৬ সাইকেল প্রয়োজন হয়

 

💰 ১ সাইকেলের মূল্য: ৩০টি ক্যাপসুল (300mg) = ৳২২,০০০




ইবিথেরাপি ওষুধের ফার্মাকোলজিঃ

----------------------------------------------

ইবিথেরাপি ওষুধটি DNA, RNA,Nucleus-এ কার্যক্রম প্রদর্শন করে।নিউক্লিয়াসে একটি নিউক্লিওলাস থাকে ফলে রাইসোম তৈরি সহজতর হয়।রাইসোম যখন নিউক্লিয়াস হতে বিভক্ত হয় তখন নিউক্লিয়াসে প্রোটিন সংশ্লেষণ হয়।রাইবোসোম এবং নিউক্লিয়াস গুলো জেলির মতো সাইটোপ্লাজমে ভাসমান থাকে যেনো সকল রাইবোসোম গুলো জেলিরূপ সাইটোপ্লাজমে ভাসমান থেকে অবাধে এন্ডোপ্লাজোমিক রেটিকুলামের সাথে যুক্ত হতে পারে। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম হলো ঝিলি ঘেরা একটি পথ যা রাইবোসোম দ্বারা সংশ্লেষিত হয়ে প্রোটিনের মত উপাদানগুলো পরিবাহিত হয়।এতে প্রোটিন,লিপিড বা কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি সকল প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোই এমনভাবে কাস্টমাইজড করা থাকে যাতে পরিবাহিত এই উপাদান গুলোকে খুব সহজেই কোষগুলো গ্রহণ করতে পারে। 


ইবিথেরাপি ওষুধটির ডিজাইন এমনই যে,এটি একই সাথে দেহের Immunity এবং Antibody তৈরিতে সক্ষম। ফলে ওষুধটি খুব দ্রুততম সময়ে শরীরে সার্বিক নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে ব্যাকটেরিয়া,ভাইরাস সহ সকল অসামঞ্জস্য কোষগুলোকে চিহ্নিত করে অতি দ্রুততায় মেরে ফেলতে সক্রিয় হয়ে ওঠে।Antibody এমন একটি বিশেষ প্রোটিন যার প্রভাবে B-Cell,Antigen,Strain উৎপাদন করে দেহকে পুনঃ রোগাক্রান্ত হতে বাঁধা দেয়।ইবিথেরাপি ওষুধে Chimaric antigen receptor (CAR)থাকায় এটি দেহে T-Cell গুলোকে আরো বেশি কার্যকারিতা প্রদান করে এবং Cytotoxic T-Cell গুলো সংক্রমিত ক্যান্সার যুক্ত কোষগুলোকে হত্যা করতে থাকে।

Natural killer cell (NK) ও induced pluripotent stem cells(iPSCs)গুলোকে ইবিথেরাপির ওষুধটি সক্রিয় করে Invariant natural killer (iNK)কে দমন করে। ফলে খুবই কম এবং অতি দ্রুততায় দেহের ক্যান্সার কোষগুলোকে ধ্বংস করে দেহকে ক্যান্সার মুক্ত করে।



✊ আসুন, আমরা ক্যান্সারকে না বলি।

ইবিথেরাপি গ্রহণ করি – ক্যান্সার মুক্ত দেশ গড়ি!

📞 বিস্তারিত জানতে বা ফ্রি কনসালটেশনের জন্য ইনবক্স করুন কিংবা কল করুন এই নাম্বার

📞 01973-937727 





Comments

Popular posts from this blog

অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্য

  দোকান: রিফাত ফ্যাশন ধরন: ধরন পণ্য: বেডশিট, জানালার পর্দা ঠিকানা: চকবাজার মোবাইল: 01720414760 দোকান: ভুইয়া পেপার হাউস ধরন: পাইকারি  পণ্য: খাতা, কাগজ, ইনভাইটেশন কার্ড ঠিকানা: ৫২, হাকিম হাবিবুর রহমান রোড, চকবাজার, ঢাকা মোবাইল: 01717159714 দোকান: বিসমিল্লাহ প্লাস্টিক হাউস পণ্য: কাচ/সিরামিক, গৃহস্থালি পণ্য ঠিকানা: চকবাজার মোবাইল: 01711907185

খাবার এর ঔষধে সেড়ে যাবে ক্যান্সার এর রোগ (The News থেকে সংগ্রহীত) আবু সালেহর উদ্ভাবিত ক্যান্সার ঔষধ

  স্বাস্থ্য বাংলাদেশি গবেষকের দাবি  খাবার এর ঔষধে সারবে ক্যান্সার ১১ মার্চ ২০২৪, ১৭:১৩  আরিফ সাওন 🎗️ আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন আলো দেখা দিয়েছে — এখন কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি ছাড়াই মুখে খাওয়ার ওষুধে ক্যান্সার নিরাময়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। 💊 আশ্চর্যের বিষয় হলো, ইতোমধ্যেই বিভিন্ন ধাপের (স্টেজ) ক্যান্সারে আক্রান্ত ২৫ জন রোগী এই ওষুধ গ্রহণের পর সম্পূর্ণ সুস্থ হয়েছেন। 🌿 গবেষক আবু সালেহ-এর উদ্ভাবিত এই ওষুধ শরীরের ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে, আবার তা যেন ফিরে না আসে তাও নিশ্চিত করে। 👩‍🔬 আক্রান্তদের মধ্যে লিভার, গলব্লাডার, স্টোমাক, ইসোফেগাস, কোলন, ব্রেস্ট, মাইয়েলোমা, লিউকেমিয়া, জিহ্বা এবং ফুসফুস ক্যান্সারের রোগী ছিলেন। 🔬 আবু সালেহ জানান, ওষুধটি শুধুমাত্র প্রাথমিক পর্যায়ের নয়— এমনকি শেষ পর্যায়ের বা পেলিয়াটিভ ম্যানেজমেন্ট রোগীরাও এতে সুস্থ হয়েছেন। 🎗️ ক্যান্সার এখন আর মানেই মৃত্যুর ভয় নয়! আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি ছাড়াই শুধুমাত্র মুখে খাওয়ার ওষুধে ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব হতে পারে। শুনতে অবাক লাগলেও, ইতোমধ্যেই এমন ওষুধে ২৫ জন ক্যান্সার রোগী সম্পূর...