স্তনে বা ব্রেস্টে ক্যান্সার কোষ গুলো দুধের নালি বা স্তনের দুধ উৎপাদনকারী লোবিউলের ভিতর শুরু হয়ে ক্রমান্বয়ে এটি ঘন/পিণ্ডের রূপ ধারণ করে এবং এ হতে সৃষ্ট ন্যডিউল,লিম্ফন্যূড, টিউমার আকৃতি ধারণ করে!
• বিবাহিত/অবিবাহিত নারীদের মধ্যে কাদের এ রোগটি বেশি দেখা দেয়?
যদিও বৃহৎ পরিসরে গবেষণাটি করা হয়নি তথাপি কিছু গবেষণায় প্রমাণ পাওয়া গেছে বৈবাহিক বা অবৈবাহিক অবস্থার উপর এর কোন প্রভাব নেই! সাধারণত ১৫ হতে ৪০ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে এ রোগটি বেশি হতে দেখা যায়!
• রোগ শনাক্তকরণঃ
স্তনে বা ব্রেস্টে অবাঞ্ছিত কিছু প্রকাশ পেলে গাইনোকোলজিস্ট এর পরামর্শ নিতে হবে এবং স্তনের ম্যামোগ্রাফি করতে হবে।
• স্তন/ব্রেস্ট ক্যান্সার হওয়ার কারণঃ
নানা কারণেই ব্রেস্টে ক্যান্সার হতে পারে! যেমন, দেহে হরমোনের তারতম্য, জিন মিউটেশান, উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত জিন, খাদ্যাভ্যাস, বায়ূ-দূষন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস সংক্রমণ ইত্যাদি নানা কারণে এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে!
• স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে করনীয়ঃ
স্বাস্থ্য সচেতনতাই প্রতিরোধের একমাত্র উপায়। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ ও নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরী। অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে এবং ধূমপান বা যেকোন ধরনের মাদক থেকে বিরত থাকতে হবে। স্তনে অবাঞ্ছিত কিছু প্রকাশ পেলে দেরী না করে গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে।

Comments
Post a Comment